Skip to main content

ফেস্টাটা

সিপিইউটা লঞ্চের মতন আওয়াজ তুইলা চলে। হানিফ পরিবহনের সড়ক পথে বিমানের ছোঁয়ার মতন রুমে বইসা লঞ্চের ছোঁয়া আমি পাইতেছি।
ভাবে মরি মরি অবস্থা।
খাই দাই ঘুমাই আর খালি প্লান করি করমু কোন কাম। প্লান করি তারপর পিসিতে বইসা ফেইসবুক তারপর আবার ঘুম। আর তারপর আবার প্লান করি।
পাকিস্তান-ভারত নিয়া একটা গেইম। এখন সিধান্ত নিতে বলা হইলো আমি ভারত সাইজা খেলবো নাকি পাকিস্তান!!
আবার প্লান করতে বসলাম আমি কার হইয়া খেলবো।
গুলি কইরা সব ফাটায় দিছি। মাথায় গুলি করলে প্রথম গুলিতে হেলমেট পইড়া যায় আর পরের গুলিতে মইরা যায়। হেলমেট পইড়া যাবার ব্যাপারটা ভাল লাগছে।
ইতিহাস নামের একটা সিনেমা ছিলো। মারূফ ছিলো নায়ক। সে যখন গুলি করে রক্ত কেমন ভরভর কইরা ছড়ায়া বড়ায়া বাইর হয়। ঐ ছবি আরেকজনের বাসায় দেখতে গিয়া আব্বুর মাইর খাইছি।
এই গেইমের মধ্যেও রক্ত ঐভাবেই বাইর হয়!! নকল করছে নাকি ব্যাপারটা??
আচ্ছা মানুষ গেইম কেন বানায়?
বুশেরে জুতা মারার ব্যাপারটা নিয়া কারা যেন একটা গেইম বানাইছিলো। একটু আগে ভাবতেছিলাম আমি বানাইলে এইটারে কেমনে রিলিজ করতাম? নিজের নামে? নাকি ভারতের একজন আর পাকিস্তানের একজনের নামে? বুশের হাত অনেক লম্বা। আমারে টাইন্যা নিয়া গিয়া অস্ত্র উদ্ধারে গিয়া মাঝাখানে ফালায়া সানডে মানডে কুলুস কইরা দিতো! আমেরিকানরা কম্পিউটার দিয়া সব বাইরা কইরা ফালায়। খালি সাদ্দাম হোসেনরে খুইজ্যা পাইতাছিলো না তখন। কারণ সাদ্দামের কাছে কেমন একটা ঘড়ি আছে। ঐটায় তারে হাওয়া কইরা দেয়!! এমনই জানি ছোটকাল থ্যিকা। ঘড়ির ব্যাটারী মনে হয় কয়বছর আগে শেষ হইয়া গেছিলো! নাইলে আর কেউ ধরতে পারতো তারে??
কয়দিন আগে অনেক বড় ভাই মিল্যা চাকরীর অফার করছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের এডমিনে চাকরি। আমি কিছু না বুইঝাই না কইরা দিছি। আহারে চাকরিটা হইলেতো ঐ সাদ্দামের ঘড়ি কিনতে টাকা জমানো শুরু করতে পারতাম!
তবে চাকরি দেবার ঘোষনার দিন যা আমার মাথায় ঘুরছে তা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যতালিকায় বাংলাদেশ স্টাডিজ এর সাথে বাংলানুধাবণ নামে কোনো বিষয় যুক্ত করা এখন আবশ্যক হইয়া গেছে।
অনেক দিন পর আজ ভাত খাইছি দেড় প্লেট। প্লেটের বাংলাটা মাত্রই মনে হইলো জানি না আবার এখনই মনে পড়লো "থালা"! আমরা থালা বলি না কেন?
কফি খাইছি। দাম ১৫ টাকা। কেন খায় মানুষ? দেখে সবাই খায় তারাও খায়।
বাড়িতে তখন দাদু আর ফুপুর কাছে থাকি।
আমাদের এলাকায় চলে কালি পুজা।
আব্বুও নাই আম্মুও নাই। আমাদের বাড়ির কাছেরই একজন। সেইটা কে ভুলেই গেছি। তার হাত ধইরা কত্ত অনুরোধ করছি আমারে চড়কিতে(নাগরদোলা) উঠাইতে। উঠাইলোই না। দুই টাকা লাগতো উঠতে।
আব্বুর কথা অনেক মনে পড়ছে তখন। আব্বু থাকলে চড়কিতে আমি একাই উঠতাম আর কাউরে উঠতেই দিতাম না।
চাকরি দেবার প্রস্তাবের দিন আমাকে বলা হইছিলো বাপ-মায় কিছু শেখাইছে কিনা! আমি তাকায়া ছিলাম একাধারে তাগো দিকে। মন দিয়া তাগো চেহারা দেখছি আমি। তারা ভাষা বিশারদ।
ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কবরটা যিয়ারত করছিলাম ঢাবিতে পরীক্ষা দেবার কয়দিন আগে। আবেগপ্রবণ ছিলাম তখন।
আমার নাম আলিফ। আমি এখন মন খারাপ করবো।

Comments

Popular posts from this blog

ড্যাফোডিলে নতুন? মন চাইলে পড়ো।

বিঃদ্রঃ এইটা কোনো অফিশিয়াল কিছু না। নিতান্তই আমার মাথায় যা আসছে তার গর্ভপাত ঘটছে এইখানে। কমলা রঙের লেখায় ক্লিক করলে হাবিজাবি আসবে। ইচ্ছা হইলে ক্লিক কইরা দেখা যাইতেই পারে।  " ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি -আশুলিয়া ক্যাম্পাস" DIU Permanent Campus Photo Gallery থেকে নেয়া। চারটা পাবলিকে ডাব্বা মারার পর সরকারি তোলারাম কলেজে আমি বাংলা পাইছিলাম। বিভাগীয় প্রধান বলছিলেন, তোমার মা যদি কালো হয়, দেখতে বেখাপ্পা হয় তুমি কি তারে মা ডাকবানা? তার আদরে নিজেরে জড়াবা না? তাকে তো চাইলেই আর বদলানোর কোনো সুযোগ নাই তাই না? অবশ্যই সে কালো খাটো মোটা যাই হোক তাকেই মেনে নিবা। এবং সেই তোমার মা। বাংলা বিষয়টা তোমার মা। এবার তাকে ইচ্ছায় পেয়ে থাকো অথবা অনিচ্ছায়। হা হা। এই মহা সত্যটা এখন তোমারেও মাইনা নিতে হবে। ঠেকায় পইরা আসো, পছন্দে আসো অথবা যে কারণেই ড্যাফোডিলে আইসা থাকো না কেন এখন এইটা তোমার মা। ভালো এরে বাসতেই হবে। মানায়া নিতেই হবে। জোর কইরা হইলেও। আর যদি না পারো তাইলে কমোডে পোলাও রেখে খাবার মত ব্যাপার হবে চার বছর পর। নতুন তুমি? তাইলে নিচের এগুলা ভাল লাগলে দেখতে ...

মেয়র আনিসুল হক, হাজার হালি ছাত্র, আর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

শুভ সকাল। ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সবুর খান ,  সম্মানিত ভিসি মহোদয় জনাব ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম , সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আমার সামনে হাজারো ছাত্র-ছাত্রী। সুধী মন্ডলী, মানুষের জীবনে এমন কতগুলো সময় আসে যখন কথা গুলিয়ে যায়, যখন সমস্ত ভাবনা আগে পরে এক হয়ে যায়। আমার মনে হয় আজকে আমার জীবনে তেমনি একটি সকাল। যে সকাল বর্তমানের সঙ্গে বছর বছর অনেক বছর  আগেকার দিনগুলোকে এক করে ফেলে। ১৪ বছরেরে কিশোর এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। আমার এসে মনে হয়েছে চব্বিশ বছরের তরুণ এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। তোমরা যারা আজকে এখানে বসে আছো তাদের জন্যে বলি, আমি অনেক ক'বার শুনেছি, মাননীয় মেয়র মাননীয় মেয়র আনিসুল হক অনেক কিছু করেছেন কিন্তু সবুর সাহেব যেটি করে গেছেন তার ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে, তার শিক্ষকদের নিয়ে এবং তোমাদেরকে নিয়ে  আমার মনে হয় বাংলাদেশে এর দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি আজকে মেয়র হয়েছি। এক সময় অন্য আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লিড করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো। হয়তো আরো অল্প কিছু সামনে যেলেও যেতে পারি। কিন্তু যেটি আমি, সবুর সাহেব, এখানে যারা বসে আছে, যারা প্রথম সারির আমা...