Skip to main content

Posts

Featured Post

ড্যাফোডিলে নতুন? মন চাইলে পড়ো।

বিঃদ্রঃ এইটা কোনো অফিশিয়াল কিছু না। নিতান্তই আমার মাথায় যা আসছে তার গর্ভপাত ঘটছে এইখানে। কমলা রঙের লেখায় ক্লিক করলে হাবিজাবি আসবে। ইচ্ছা হইলে ক্লিক কইরা দেখা যাইতেই পারে।  " ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি -আশুলিয়া ক্যাম্পাস" DIU Permanent Campus Photo Gallery থেকে নেয়া। চারটা পাবলিকে ডাব্বা মারার পর সরকারি তোলারাম কলেজে আমি বাংলা পাইছিলাম। বিভাগীয় প্রধান বলছিলেন, তোমার মা যদি কালো হয়, দেখতে বেখাপ্পা হয় তুমি কি তারে মা ডাকবানা? তার আদরে নিজেরে জড়াবা না? তাকে তো চাইলেই আর বদলানোর কোনো সুযোগ নাই তাই না? অবশ্যই সে কালো খাটো মোটা যাই হোক তাকেই মেনে নিবা। এবং সেই তোমার মা। বাংলা বিষয়টা তোমার মা। এবার তাকে ইচ্ছায় পেয়ে থাকো অথবা অনিচ্ছায়। হা হা। এই মহা সত্যটা এখন তোমারেও মাইনা নিতে হবে। ঠেকায় পইরা আসো, পছন্দে আসো অথবা যে কারণেই ড্যাফোডিলে আইসা থাকো না কেন এখন এইটা তোমার মা। ভালো এরে বাসতেই হবে। মানায়া নিতেই হবে। জোর কইরা হইলেও। আর যদি না পারো তাইলে কমোডে পোলাও রেখে খাবার মত ব্যাপার হবে চার বছর পর। নতুন তুমি? তাইলে নিচের এগুলা ভাল লাগলে দেখতে ...
Recent posts

প্যালিনড্রোম

প্যালিনড্রোম কি? প্যালিন্ড্রোম হচ্ছে কোনো শব্দকে অক্ষর উলটো করে পড়লেও শবের কোন বিকৃতি ঘটে না এমন মজার ব্যাপার। যেমনঃ সাদ্রামাদ্রাসা। এবার এটা কে ভাঙ্গা যাক ১।সা ২।দ্রা ৩।মা ৪।দ্রা ৫।সা    এবার এটাকে উল্টে ফেলে দেখি, ৫।সা  ৪।দ্রা   ৩।মা  ২।দ্রা  ১।সা  একই তো আছে তাই না? এটাই প্যালিনড্রোম। ইংরেজিতে দেখি, MADAM এবার এটাকে উলটো করে পড়ে দেখি। সেটাও একই হবে। ব্যাপারটা বেশ মজার। একটা প্যালিন্ড্রোমীয় কাব্যখন্ড পড়া যাক যার প্রতি লাইন উলটো করে পড়লেও একই হয়!! রাধা নাচে অচেনা ধারা রাজণ্যগণ তরঙ্গরত, নগণ্য জরা কীলক-সঙ্গ নয়নঙ্গ সকল কী? কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী। এটা নেয়া হয়েছে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ থেকে।    এবার দেখা যাক নেপোলিয়ানের একটা প্যালিনড্রোমিক উক্তি যেটা উলটো করে পড়লেও একই অর্থ প্রকাশ করে! "Able was I ere I saw Elba" এ নিয়ে আরো বিস্তর জানতে ক্লিক করুন।

"তুমি কইরাই বলি? কিছু মনে কইরো না"

তুমি যার বাপ মা অথবা বাংলা চুল হিন্দি চুল হয়ে থাকো না কেন যে সিনিয়র তারে আপনি করেই বলতে হবে। সে তোমার প্রেমিকা বা আব্বা লাগে না যে তারে তুমি মধুর আবদার করবা "তুমি কইরাই বলি? কিছু মনে কইরো না" আর যারা বলবা যে তোমার অভ্যাস সবাইরে তুমি কইরা বলার তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসাও তুমি তুমি ডাকো সবাইকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাইড়া যাওগা। তোমাদের অধিকার নাই পড়ার। এই ছোটখাটো সামাজিকতা রক্ষার্থে যে নিজের অভ্যাস বদলাইতে পারে না তার মত আবালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় না। বিশ্ববিদ্যালয় মানে ক্লাসের পড়া, স্যার-ম্যামদের তেল মেরে পা চেটে বেশি মার্ক নেয়া না। বিশ্ববিদ্যালয় মানে আবালতার দূরীকরণের শুরু করে বাস্তবতা শেখা। এইখানে মানুষ জীবন শিখতে আসে। নরম মাটি হয়ে আইসা আস্তে আস্তে পুড়ে পুড়ে শক্ত একটা টেরাকোটা হইতে আসে। আমি আমার বাচ্চাকাল থ্যিকা এই পর্যন্ত আমার বাপের মা থ্যিকা আমার কাকা-ফুপু, খালা, মামা আরও যা থাকে পরিবারে সবাইরে তুমি কইরাই ডাকছি এবং এখনও। কই আমি তো আমার অভ্যাস বদলায়া সেই বাচ্চাকাল থেকেই বাইরে সবাইকে আপনি আপনি করেই মুখে থুতু তুইলা ফেলছি। ...

একটা মাদরাসার ছাত্র পুরো বংশের দোয়ার বাক্স

মাদরাসায় পড়াকালীন আমার আশেপাশে আমি কাদের দেখতাম? এক্সিডেন্ট করে কোনোমতে বেঁচে গেছে বাপ-মা তারে মাদরাসায় দিছে। অনেক বছর অনেক ঘাটের পানি খেয়েও বাচ্চা হয় না তারপর জামাই বউ মিলে মানত করে নিছে যে, বাচ্চা হলে মাদরাসায় দিবে। দেখা যায় বাচ্চা হয় আর তখন মাদরাসায় দিয়ে দেয়। বাচ্চা রোগা-পটকা, অসুস্থ তারে মাদরাসায় দেয়। মইরা যাবে যাবে ভাব কিন্তু অস্বাভাবিকভাবে বেঁচে গেছে তারে মাদরাসায় দেয়। পড়াশুনায় মন নাই, সারাদিন বান্দরামি করে তারে পাঠায় মাদরাসায়। আল্টিমেটলি দেখা যাচ্ছে সব রিজেক্ট মাল গুলারে মাদরাসায় পাঠানো হচ্ছে। এর মধ্যে একদল আছে আমি তো গরীব আমার পোলাপান মাদরাসাতেই স্যুট করে। আর কিছু পোলাপান এর কোনো আত্মীয় থাকে মাদরাসা পড়ুয়া। ছোটবেলায় তারে দেখে ভালো টালো লাগে। তখন পিচ্চিকাল্য সময়ে পোলাপান বলে আমি অমুকের মত হবো। ব্যাস!! তারেও মাদরাসায় পাঠাও। বাংলাদেশে এখন আতুড়া লেংড়ার প্রচলনটা কমলেও যেটা বাড়ছে তা হচ্ছে যে, আমি জীবনে অনেক আকাম করছি সুতরাং বাচ্চা একটারে মাদরাসায় পাঠাতে হবে। জান্নাত কনফার্ম করা ছাড়া উপায় নাই। একি!! বংশে একটা হুজুর নাই? ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার তো হইলো হুজুর লাগবে না একটা? প্...

মেয়র আনিসুল হক, হাজার হালি ছাত্র, আর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

শুভ সকাল। ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সবুর খান ,  সম্মানিত ভিসি মহোদয় জনাব ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম , সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আমার সামনে হাজারো ছাত্র-ছাত্রী। সুধী মন্ডলী, মানুষের জীবনে এমন কতগুলো সময় আসে যখন কথা গুলিয়ে যায়, যখন সমস্ত ভাবনা আগে পরে এক হয়ে যায়। আমার মনে হয় আজকে আমার জীবনে তেমনি একটি সকাল। যে সকাল বর্তমানের সঙ্গে বছর বছর অনেক বছর  আগেকার দিনগুলোকে এক করে ফেলে। ১৪ বছরেরে কিশোর এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। আমার এসে মনে হয়েছে চব্বিশ বছরের তরুণ এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। তোমরা যারা আজকে এখানে বসে আছো তাদের জন্যে বলি, আমি অনেক ক'বার শুনেছি, মাননীয় মেয়র মাননীয় মেয়র আনিসুল হক অনেক কিছু করেছেন কিন্তু সবুর সাহেব যেটি করে গেছেন তার ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে, তার শিক্ষকদের নিয়ে এবং তোমাদেরকে নিয়ে  আমার মনে হয় বাংলাদেশে এর দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি আজকে মেয়র হয়েছি। এক সময় অন্য আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লিড করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো। হয়তো আরো অল্প কিছু সামনে যেলেও যেতে পারি। কিন্তু যেটি আমি, সবুর সাহেব, এখানে যারা বসে আছে, যারা প্রথম সারির আমা...

এক সাথে দুইশ বাচ্চার জন্মদিনঃ ফুচকা বিলাস-২০১৬

গত ১২ ই নভেম্বর, শনিবার মাস্তুল ফাউন্ডেশন রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে “আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সপ্তাহ” উপলক্ষ্যে " ফুচকা বিলাস – সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্মদিন উৎসব" নামে একটি ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠান করেছে । যাতে প্রায় দুই শতাধিক সুবিধাবঞ্চিতশিশুর একযোগে জন্মদিন পালন করা হয়। ধানমন্ডি লেক, রায়েরবাজার থেকে আসা এসকল শিশুরা কেউ ই জানে না তাদের জন্ম তারিখ মাস্তুল তাদের জন্মদিন জমকালো ভাবে উদযাপন করেছে। আয়োজনে শিশুরা সকাল থেকে আসা শুরু করে রবীন্দ্র সরোবর এ যা প্রায় ২ হাজার বেলুন দিয়ে সাজানো হয়েছিল এই শিশুদের জন্য। দুপুর বেলা শিশুদের জন্য নতুন জামা উপহার দেয়া হয় এবং একবেলা পেটপুরে খাওয়ানো হয়। আয়োজনে সকল শিশুরা বিনামূল্যে দাঁত এবং সার্বিক চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ পেয়েছে। বিকাল ৪ টা বেজে ৩০ মিনিট ২০০ বাচ্চা সবাই মঞ্চে উঠে আসে চিৎকার করে " শুভ জন্মদিন" । ২০০ শিশুর জন্য ২০০ লেখা মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন এর কেক কাটে কনিষ্ঠ ১০ জন শিশু। এরপর শিশুদেরকে কেক, ফল ও জুস পরিবেশন করা হয়। শিশুদেরকে নিজ জন্মদিন এর স্বাদ দিতে আনা হয় ৫টি কার্টুন এর মাসকট যাকে ঘিরে বাচ্চাদের খুশি ...

ফেস্টাটা

সিপিইউটা লঞ্চের মতন আওয়াজ তুইলা চলে। হানিফ পরিবহনের সড়ক পথে বিমানের ছোঁয়ার মতন রুমে বইসা লঞ্চের ছোঁয়া আমি পাইতেছি। ভাবে মরি মরি অবস্থা। খাই দাই ঘুমাই আর খালি প্লান করি করমু কোন কাম। প্লান করি তারপর পিসিতে বইসা ফেইসবুক তারপর আবার ঘুম। আর তারপর আবার প্লান করি। পাকিস্তান-ভারত নিয়া একটা গেইম। এখন সিধান্ত নিতে বলা হইলো আমি ভারত সাইজা খেলবো নাকি পাকিস্তান!! আবার প্লান করতে বসলাম আমি কার হইয়া খেলবো। গুলি কইরা সব ফাটায় দিছি। মাথায় গুলি করলে প্রথম গুলিতে হেলমেট পইড়া যায় আর পরের গুলিতে মইরা যায়। হেলমেট পইড়া যাবার ব্যাপারটা ভাল লাগছে। ইতিহাস নামের একটা সিনেমা ছিলো। মারূফ ছিলো নায়ক। সে যখন গুলি করে রক্ত কেমন ভরভর কইরা ছড়ায়া বড়ায়া বাইর হয়। ঐ ছবি আরেকজনের বাসায় দেখতে গিয়া আব্বুর মাইর খাইছি। এই গেইমের মধ্যেও রক্ত ঐভাবেই বাইর হয়!! নকল করছে নাকি ব্যাপারটা?? আচ্ছা মানুষ গেইম কেন বানায়? বুশেরে জুতা মারার ব্যাপারটা নিয়া কারা যেন একটা গেইম বানাইছিলো। একটু আগে ভাবতেছিলাম আমি বানাইলে এইটারে কেমনে রিলিজ করতাম? নিজের নামে? নাকি ভারতের একজন আর পাকিস্তানের একজনের নামে? ...