Skip to main content

এক সাথে দুইশ বাচ্চার জন্মদিনঃ ফুচকা বিলাস-২০১৬


গত ১২ ই নভেম্বর, শনিবার মাস্তুল ফাউন্ডেশন রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে “আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সপ্তাহ” উপলক্ষ্যে " ফুচকা বিলাস – সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের জন্মদিন উৎসব" নামে একটি ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠান করেছে ।
যাতে প্রায় দুই শতাধিক সুবিধাবঞ্চিতশিশুর একযোগে জন্মদিন পালন করা হয়। ধানমন্ডি লেক, রায়েরবাজার থেকে আসা এসকল শিশুরা কেউ ই জানে না তাদের জন্ম তারিখ মাস্তুল তাদের জন্মদিন জমকালো ভাবে উদযাপন করেছে।
আয়োজনে শিশুরা সকাল থেকে আসা শুরু করে রবীন্দ্র সরোবর এ যা প্রায় ২ হাজার বেলুন দিয়ে সাজানো হয়েছিল এই শিশুদের জন্য।


দুপুর বেলা শিশুদের জন্য নতুন জামা উপহার দেয়া হয় এবং একবেলা পেটপুরে খাওয়ানো হয়। আয়োজনে সকল শিশুরা বিনামূল্যে দাঁত এবং সার্বিক চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ পেয়েছে।
বিকাল ৪ টা বেজে ৩০ মিনিট ২০০ বাচ্চা সবাই মঞ্চে উঠে আসে চিৎকার করে " শুভ জন্মদিন" । ২০০ শিশুর জন্য ২০০ লেখা মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন এর কেক কাটে কনিষ্ঠ ১০ জন শিশু। এরপর শিশুদেরকে কেক, ফল ও জুস পরিবেশন করা হয়। শিশুদেরকে নিজ জন্মদিন এর স্বাদ দিতে আনা হয় ৫টি কার্টুন এর মাসকট যাকে ঘিরে বাচ্চাদের খুশি দ্বিগুণ বেড়ে যায়।





এতেই শেষ নয় সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় জমকালো কনসার্ট যেখানে শিশুদের জন্য গান পরিবেশন করেন ব্যান্ড দূরবীন ও সৈয়দ শহিদুল ইসলাম এবং সাথে কন্ঠ মিলায় সকল শিশুরা ও উপস্থিত দর্শক সবাই। আয়োজন এ অংশ নেয় রাজত্ব ব্যান্ড এর তৌফিক আহমেদ এবং ফয়সাল রদ্দি। 

আয়োজন এর প্রধান অতিথি ছিলেন ভিত্তি স্থপতি বৃন্দ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্থপতি ইকবাল হাবিব এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকার জলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আবুল খায়ের (হিরু) এবং ওয়েল গ্রুপের ডিরেক্টর সৈয়দ শহিদুল ইসলাম। 

আরো অতিথি হিসেবে ছিলেন উইলিল্যাব এর চেয়ারম্যান জাকারিয়া করিম সৈকত, ছিলেন ঘুড্ডি ফাউন্ডেশন এর ভাইস চেয়ারম্যান নুর খান এবং মাস্তুলের শুভাকাঙ্ক্ষী ডিএমপি এর সহকারি পুলিশ কমিশনার ইফতেখাইরুল ইসলাম এবং স্কোয়াডন লিডার তাহমিনা হিরা।







লেখা ও ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের ফেইসবুক গ্রুপ থেকে। 

Comments

Popular posts from this blog

ড্যাফোডিলে নতুন? মন চাইলে পড়ো।

বিঃদ্রঃ এইটা কোনো অফিশিয়াল কিছু না। নিতান্তই আমার মাথায় যা আসছে তার গর্ভপাত ঘটছে এইখানে। কমলা রঙের লেখায় ক্লিক করলে হাবিজাবি আসবে। ইচ্ছা হইলে ক্লিক কইরা দেখা যাইতেই পারে।  " ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি -আশুলিয়া ক্যাম্পাস" DIU Permanent Campus Photo Gallery থেকে নেয়া। চারটা পাবলিকে ডাব্বা মারার পর সরকারি তোলারাম কলেজে আমি বাংলা পাইছিলাম। বিভাগীয় প্রধান বলছিলেন, তোমার মা যদি কালো হয়, দেখতে বেখাপ্পা হয় তুমি কি তারে মা ডাকবানা? তার আদরে নিজেরে জড়াবা না? তাকে তো চাইলেই আর বদলানোর কোনো সুযোগ নাই তাই না? অবশ্যই সে কালো খাটো মোটা যাই হোক তাকেই মেনে নিবা। এবং সেই তোমার মা। বাংলা বিষয়টা তোমার মা। এবার তাকে ইচ্ছায় পেয়ে থাকো অথবা অনিচ্ছায়। হা হা। এই মহা সত্যটা এখন তোমারেও মাইনা নিতে হবে। ঠেকায় পইরা আসো, পছন্দে আসো অথবা যে কারণেই ড্যাফোডিলে আইসা থাকো না কেন এখন এইটা তোমার মা। ভালো এরে বাসতেই হবে। মানায়া নিতেই হবে। জোর কইরা হইলেও। আর যদি না পারো তাইলে কমোডে পোলাও রেখে খাবার মত ব্যাপার হবে চার বছর পর। নতুন তুমি? তাইলে নিচের এগুলা ভাল লাগলে দেখতে ...

ফেস্টাটা

সিপিইউটা লঞ্চের মতন আওয়াজ তুইলা চলে। হানিফ পরিবহনের সড়ক পথে বিমানের ছোঁয়ার মতন রুমে বইসা লঞ্চের ছোঁয়া আমি পাইতেছি। ভাবে মরি মরি অবস্থা। খাই দাই ঘুমাই আর খালি প্লান করি করমু কোন কাম। প্লান করি তারপর পিসিতে বইসা ফেইসবুক তারপর আবার ঘুম। আর তারপর আবার প্লান করি। পাকিস্তান-ভারত নিয়া একটা গেইম। এখন সিধান্ত নিতে বলা হইলো আমি ভারত সাইজা খেলবো নাকি পাকিস্তান!! আবার প্লান করতে বসলাম আমি কার হইয়া খেলবো। গুলি কইরা সব ফাটায় দিছি। মাথায় গুলি করলে প্রথম গুলিতে হেলমেট পইড়া যায় আর পরের গুলিতে মইরা যায়। হেলমেট পইড়া যাবার ব্যাপারটা ভাল লাগছে। ইতিহাস নামের একটা সিনেমা ছিলো। মারূফ ছিলো নায়ক। সে যখন গুলি করে রক্ত কেমন ভরভর কইরা ছড়ায়া বড়ায়া বাইর হয়। ঐ ছবি আরেকজনের বাসায় দেখতে গিয়া আব্বুর মাইর খাইছি। এই গেইমের মধ্যেও রক্ত ঐভাবেই বাইর হয়!! নকল করছে নাকি ব্যাপারটা?? আচ্ছা মানুষ গেইম কেন বানায়? বুশেরে জুতা মারার ব্যাপারটা নিয়া কারা যেন একটা গেইম বানাইছিলো। একটু আগে ভাবতেছিলাম আমি বানাইলে এইটারে কেমনে রিলিজ করতাম? নিজের নামে? নাকি ভারতের একজন আর পাকিস্তানের একজনের নামে? ...

মেয়র আনিসুল হক, হাজার হালি ছাত্র, আর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

শুভ সকাল। ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সবুর খান ,  সম্মানিত ভিসি মহোদয় জনাব ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম , সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আমার সামনে হাজারো ছাত্র-ছাত্রী। সুধী মন্ডলী, মানুষের জীবনে এমন কতগুলো সময় আসে যখন কথা গুলিয়ে যায়, যখন সমস্ত ভাবনা আগে পরে এক হয়ে যায়। আমার মনে হয় আজকে আমার জীবনে তেমনি একটি সকাল। যে সকাল বর্তমানের সঙ্গে বছর বছর অনেক বছর  আগেকার দিনগুলোকে এক করে ফেলে। ১৪ বছরেরে কিশোর এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। আমার এসে মনে হয়েছে চব্বিশ বছরের তরুণ এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। তোমরা যারা আজকে এখানে বসে আছো তাদের জন্যে বলি, আমি অনেক ক'বার শুনেছি, মাননীয় মেয়র মাননীয় মেয়র আনিসুল হক অনেক কিছু করেছেন কিন্তু সবুর সাহেব যেটি করে গেছেন তার ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে, তার শিক্ষকদের নিয়ে এবং তোমাদেরকে নিয়ে  আমার মনে হয় বাংলাদেশে এর দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি আজকে মেয়র হয়েছি। এক সময় অন্য আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লিড করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো। হয়তো আরো অল্প কিছু সামনে যেলেও যেতে পারি। কিন্তু যেটি আমি, সবুর সাহেব, এখানে যারা বসে আছে, যারা প্রথম সারির আমা...