Skip to main content

"তুমি কইরাই বলি? কিছু মনে কইরো না"

তুমি যার বাপ মা অথবা বাংলা চুল হিন্দি চুল হয়ে থাকো না কেন যে সিনিয়র তারে আপনি করেই বলতে হবে।

সে তোমার প্রেমিকা বা আব্বা লাগে না যে তারে তুমি মধুর আবদার করবা "তুমি কইরাই বলি? কিছু মনে কইরো না"

আর যারা বলবা যে তোমার অভ্যাস সবাইরে তুমি কইরা বলার তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসাও তুমি তুমি ডাকো সবাইকে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাইড়া যাওগা। তোমাদের অধিকার নাই পড়ার।
এই ছোটখাটো সামাজিকতা রক্ষার্থে যে নিজের অভ্যাস বদলাইতে পারে না তার মত আবালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় না।

বিশ্ববিদ্যালয় মানে ক্লাসের পড়া, স্যার-ম্যামদের তেল মেরে পা চেটে বেশি মার্ক নেয়া না। বিশ্ববিদ্যালয় মানে আবালতার দূরীকরণের শুরু করে বাস্তবতা শেখা। এইখানে মানুষ জীবন শিখতে আসে। নরম মাটি হয়ে আইসা আস্তে আস্তে পুড়ে পুড়ে শক্ত একটা টেরাকোটা হইতে আসে।


আমি আমার বাচ্চাকাল থ্যিকা এই পর্যন্ত আমার বাপের মা থ্যিকা আমার কাকা-ফুপু, খালা, মামা আরও যা থাকে পরিবারে সবাইরে তুমি কইরাই ডাকছি এবং এখনও।
কই আমি তো আমার অভ্যাস বদলায়া সেই বাচ্চাকাল থেকেই বাইরে সবাইকে আপনি আপনি করেই মুখে থুতু তুইলা ফেলছি।
তাইলে তোমরা কে এমন হইয়া গেছো যে তুমি কইরা বলো সিনিয়রদের?
সাইজে ছোট দেখা যায় সে জন্য?
আমাদের ক্যাম্পাসে ডিরেক্টর স্যার আকারে ছোট মানুষ। পারবা তারে গিয়া তুমি বলতে? বইলো।


বয়সে ছোট বড় যাই হোক। হোক সে উচ্চমাধ্যমিক তোমার থেকে দুইবছর পরেই দিছে। সেদিক থেকে সে তোমার ছোট হইতেই পারে। কিন্তু এখন তুমি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছো। এলাকায় চোর ছিলা না ডাকাত ছিলা সেইটা এইখানে গুইনা দেখার টাইম নাই। এইখানে কেউ তোমার এক সেমিস্টারের বড় হইলেও তারে সম্মান দিয়া কথা বলতে হবে।
হয় তার সাথে কথা বলার দরকার নাই আর বলতে গেলে সম্মানটুকু তারে দিতে হবে। এইটা তার প্রাপ্য। দিতে মন না চাইলে এড়ায় যাও। দূরত্ব বজায় থাকো তার কাছ থ্যিকা।
আমাদের ডিপার্টমেন্টে এমন কেউ নাই যে তোমাদেরকে ডাইকা নিয়া বলবে "আমার কাছে আহো, আমার পাশে বসো এখানটায়। আমার হাত ধইরা কতক্ষণ কথা বলো!!"




Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

ড্যাফোডিলে নতুন? মন চাইলে পড়ো।

বিঃদ্রঃ এইটা কোনো অফিশিয়াল কিছু না। নিতান্তই আমার মাথায় যা আসছে তার গর্ভপাত ঘটছে এইখানে। কমলা রঙের লেখায় ক্লিক করলে হাবিজাবি আসবে। ইচ্ছা হইলে ক্লিক কইরা দেখা যাইতেই পারে।  " ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি -আশুলিয়া ক্যাম্পাস" DIU Permanent Campus Photo Gallery থেকে নেয়া। চারটা পাবলিকে ডাব্বা মারার পর সরকারি তোলারাম কলেজে আমি বাংলা পাইছিলাম। বিভাগীয় প্রধান বলছিলেন, তোমার মা যদি কালো হয়, দেখতে বেখাপ্পা হয় তুমি কি তারে মা ডাকবানা? তার আদরে নিজেরে জড়াবা না? তাকে তো চাইলেই আর বদলানোর কোনো সুযোগ নাই তাই না? অবশ্যই সে কালো খাটো মোটা যাই হোক তাকেই মেনে নিবা। এবং সেই তোমার মা। বাংলা বিষয়টা তোমার মা। এবার তাকে ইচ্ছায় পেয়ে থাকো অথবা অনিচ্ছায়। হা হা। এই মহা সত্যটা এখন তোমারেও মাইনা নিতে হবে। ঠেকায় পইরা আসো, পছন্দে আসো অথবা যে কারণেই ড্যাফোডিলে আইসা থাকো না কেন এখন এইটা তোমার মা। ভালো এরে বাসতেই হবে। মানায়া নিতেই হবে। জোর কইরা হইলেও। আর যদি না পারো তাইলে কমোডে পোলাও রেখে খাবার মত ব্যাপার হবে চার বছর পর। নতুন তুমি? তাইলে নিচের এগুলা ভাল লাগলে দেখতে ...

ফেস্টাটা

সিপিইউটা লঞ্চের মতন আওয়াজ তুইলা চলে। হানিফ পরিবহনের সড়ক পথে বিমানের ছোঁয়ার মতন রুমে বইসা লঞ্চের ছোঁয়া আমি পাইতেছি। ভাবে মরি মরি অবস্থা। খাই দাই ঘুমাই আর খালি প্লান করি করমু কোন কাম। প্লান করি তারপর পিসিতে বইসা ফেইসবুক তারপর আবার ঘুম। আর তারপর আবার প্লান করি। পাকিস্তান-ভারত নিয়া একটা গেইম। এখন সিধান্ত নিতে বলা হইলো আমি ভারত সাইজা খেলবো নাকি পাকিস্তান!! আবার প্লান করতে বসলাম আমি কার হইয়া খেলবো। গুলি কইরা সব ফাটায় দিছি। মাথায় গুলি করলে প্রথম গুলিতে হেলমেট পইড়া যায় আর পরের গুলিতে মইরা যায়। হেলমেট পইড়া যাবার ব্যাপারটা ভাল লাগছে। ইতিহাস নামের একটা সিনেমা ছিলো। মারূফ ছিলো নায়ক। সে যখন গুলি করে রক্ত কেমন ভরভর কইরা ছড়ায়া বড়ায়া বাইর হয়। ঐ ছবি আরেকজনের বাসায় দেখতে গিয়া আব্বুর মাইর খাইছি। এই গেইমের মধ্যেও রক্ত ঐভাবেই বাইর হয়!! নকল করছে নাকি ব্যাপারটা?? আচ্ছা মানুষ গেইম কেন বানায়? বুশেরে জুতা মারার ব্যাপারটা নিয়া কারা যেন একটা গেইম বানাইছিলো। একটু আগে ভাবতেছিলাম আমি বানাইলে এইটারে কেমনে রিলিজ করতাম? নিজের নামে? নাকি ভারতের একজন আর পাকিস্তানের একজনের নামে? ...

মেয়র আনিসুল হক, হাজার হালি ছাত্র, আর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

শুভ সকাল। ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব সবুর খান ,  সম্মানিত ভিসি মহোদয় জনাব ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম , সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, আমার সামনে হাজারো ছাত্র-ছাত্রী। সুধী মন্ডলী, মানুষের জীবনে এমন কতগুলো সময় আসে যখন কথা গুলিয়ে যায়, যখন সমস্ত ভাবনা আগে পরে এক হয়ে যায়। আমার মনে হয় আজকে আমার জীবনে তেমনি একটি সকাল। যে সকাল বর্তমানের সঙ্গে বছর বছর অনেক বছর  আগেকার দিনগুলোকে এক করে ফেলে। ১৪ বছরেরে কিশোর এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। আমার এসে মনে হয়েছে চব্বিশ বছরের তরুণ এই ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি। তোমরা যারা আজকে এখানে বসে আছো তাদের জন্যে বলি, আমি অনেক ক'বার শুনেছি, মাননীয় মেয়র মাননীয় মেয়র আনিসুল হক অনেক কিছু করেছেন কিন্তু সবুর সাহেব যেটি করে গেছেন তার ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে, তার শিক্ষকদের নিয়ে এবং তোমাদেরকে নিয়ে  আমার মনে হয় বাংলাদেশে এর দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি আজকে মেয়র হয়েছি। এক সময় অন্য আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লিড করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিলো। হয়তো আরো অল্প কিছু সামনে যেলেও যেতে পারি। কিন্তু যেটি আমি, সবুর সাহেব, এখানে যারা বসে আছে, যারা প্রথম সারির আমা...